6:57 am, Sunday, 2 August 2026

শেখ হাসিনা সমুদ্র বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের জমি দখলে মেতেছে আ’লীগ নেতারা

  • Reporter Name
  • Update Time : 02:11:24 pm, Saturday, 13 July 2024
  • 111 Time View

মোহাম্মদ সোহেল : নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে সরকারের খাস খতিয়ানভুক্ত নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যায়ের (নোবিপ্রবি) প্রস্তাবিত শেখ হাসিনা সমুদ্র বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট এবং সহ¯্রাধিক ভূমিহীনদের প্রায় ৭০০ একর জমি অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ ওঠেছে আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে।

জানা গেছে, উপজেলার চর উরিয়া, চর নোমান ও চর ল²ী মৌজায় ২০০৪ সালে সরকারের খাস খতিয়ারভুক্ত জমির গাছ-গাছড়া পরিষ্কার করে বসবাস শুরু করেন ভূমিহীনরা। ওই সময় রাতের আধাঁরে ভূমিহীনদের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে তাদেরকে খাস জমি থেকে উচ্ছেদ করে জমিগুলো দখলে নেয় ভূমিদস্যু ফরিদ উদ্দিন। ২০০৯ সালে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর জমিগুলো পুনরায় দখলে নিয়ে বসবাস, চাষাবাদ ও গবাদি পশু লালন-পালন করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন ভূমিহীন পরিবারগুলো।

২০১৪ সালে ওই মৌজার খাস জমিতে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) সমুদ্র গবেষণার জন্য ৪৫০ একর খাসজমি সরকারের কাছে বরাদ্দ চায় বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ওই প্রস্তাবনার প্রেক্ষিতে ২০২০ সালের ২৭ ডিসেম্বর পরিদর্শন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কিছু শর্তে দেশরতœ শেখ হাসিনা সমুদ্র বিজ্ঞান ও সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট খোলার অনুমোদন দেয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগ। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন ও শিক্ষামন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করে ওই খাসজমিতে শেখ হাসিনা সমুদ্র বিজ্ঞান ও সামুদ্রিক সম্পদ ইনস্টিটিউট স্থাপনের জন্য ১৫০ একর খাসজমি বরাদ্দ দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়।

স্থানীয় এলাকাবাসি ও ভূমিহীনরা অভিযোগ করে বলেন, স¤প্রতি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আগে এমপি সাহেব বলেছেন তাঁর ছেলে নির্বাচিত হলে ভূমিহীনদের জমি, ভূমিহীনদের ফিরিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু ভোটের পর কবিরহাটের আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন ও মোহাম্মদপুরের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ দুই সপ্তাহ ধরে ৩০ থেকে ৪০টি ভেকু মেশিন দিয়ে ৭শত একর জায়গা জুড়ে কৃষকের ফসল ধ্বংস করে প্রজেক্ট করার কাজ শুরু করে। ভূমিহীনদের দাবি, শেখ হাসিনা সমুদ্র বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট হলে তাদের কোন আপত্তি নেই। ইনস্টিটিউট করার পর বাকি খাসজমি তাদের মাঝে বন্দোবস্ত দেওয়ার দাবি তোলেন ভূমিহীনরা। অভিযুক্ত দুই নেতা জেলার এক শীর্ষ জনপ্রতিনিধির আস্থাভাজন অনুসারী হিসেবে পরিচিত বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার বিকালে সরকারি খাসজমি ফিরে পেতে এবং অবৈধ দখলদার আওয়ামী লীগ নেতা কামাল উদ্দিন ও আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহনের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে ভূমিহীনরা। ওই দিন বিকালে সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. দিদার-উল-আলম। এসময় বিশ^বিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর ও প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী, কোষাধ্যক্ষ নেওয়াজ মো. বাহাদুর’সহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভূমিদস্যুদের কবল থেকে সরকারি এই খাসজমি রক্ষায় সাইনবোর্ড ও লাল পতাকা টাঙ্গিয়ে ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ১১টি ভেকু মেশিন জব্দ করেন সুবর্ণচর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) অশোক বিক্রম চাকমা।

তিনি বলেন, চর উরিয়া, চর নোমান ও চর ল²ী মৌজার ৭০০ একর জমিই সরকারের ১নং খাস খাস খতিয়ানভুক্ত। এই খাসজমি অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ পেয়ে দুই দফা অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে ১১টি মাঠি কাটার ভেকু মেশিন জব্দ করে কয়েকটি সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড এবং লাল পতাকা উত্তোলন করে দেওয় হয়েছে। দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

অভিযোগের বিষয়ে ধানসিঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা কামাল উদ্দিন ওরপে কামাল কোম্পানী বলেন, এ জায়গার মালিক শাহজাহান নামের এক প্রবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি জায়গাটি দেখাশোনার জন্য আমাকে পাওয়ার দিয়েছেন। এখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গার কাগজপত্র থাকলে তিনি ওই জায়গা ছেড়ে দিবেন।

মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্লু কালাম আজাদ বলেন, আমি জমি দখলের সঙ্গে কোনভাবেই জড়িত নই। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কার প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ছিল আমরা জনগণের জমি জনগণকে বুঝিয়ে দেব। আগে এসব জায়গা তাদের লোকজনের ছিল বলেও দাবি করেন সাবেক এ চেয়ারম্যান।

নোবিপ্রবি প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর ও প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী বলেন, এই জায়গা সরেজমিন পরিদর্শন শেষে ২০২০ সালের ২৭ ডিসেম্বর নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে দেশরতœ শেখ হাসিনা সমুদ্র বিজ্ঞান ও সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট খোলার অনুমোদন দেয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগ। সেই মোতাবেক আমাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. দিদার-উল-আলম বলেন, ওই জায়গা শেখ হাসিনা সমুদ্র বিজ্ঞান ও সামুদ্রিক সম্পদ ইনস্টিটিউটের প্রস্তাবিত স্থান। সরকারের ১নং খাস খতিয়ানভ‚ক্ত ভ‚মিতে অবৈধভাবে কোনরুপ স্থাপনা নির্মাণসহ অবৈধভাবে দখল আইনগতভাবে নিষিদ্ধ। ওই জমি অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা করা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসন সহযোগিতা করবেন। ভ‚মিহীনদের বিনা নোটিশে তাড়িয়ে দেওয়া অমানবিক। ভ‚মিহীনদের পুর্নবাসন না করে কোন কিছু করা ঠিকনা। এত কিছু থাকার পরও যারা খাসজমি দখল চায় তারা মানসিকভাবে অসুস্থ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News Desk

Popular Post

নোয়াখালী জেলা সমিতির নির্বাচনে সভাপতি এম এ খান বেলাল সিনিয়র সহ-সভাপতি মোজাম্মেল, সাধারণ সম্পাদক দুলাল নির্বাচিত

শেখ হাসিনা সমুদ্র বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের জমি দখলে মেতেছে আ’লীগ নেতারা

Update Time : 02:11:24 pm, Saturday, 13 July 2024

মোহাম্মদ সোহেল : নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে সরকারের খাস খতিয়ানভুক্ত নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যায়ের (নোবিপ্রবি) প্রস্তাবিত শেখ হাসিনা সমুদ্র বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট এবং সহ¯্রাধিক ভূমিহীনদের প্রায় ৭০০ একর জমি অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ ওঠেছে আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে।

জানা গেছে, উপজেলার চর উরিয়া, চর নোমান ও চর ল²ী মৌজায় ২০০৪ সালে সরকারের খাস খতিয়ারভুক্ত জমির গাছ-গাছড়া পরিষ্কার করে বসবাস শুরু করেন ভূমিহীনরা। ওই সময় রাতের আধাঁরে ভূমিহীনদের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে তাদেরকে খাস জমি থেকে উচ্ছেদ করে জমিগুলো দখলে নেয় ভূমিদস্যু ফরিদ উদ্দিন। ২০০৯ সালে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর জমিগুলো পুনরায় দখলে নিয়ে বসবাস, চাষাবাদ ও গবাদি পশু লালন-পালন করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন ভূমিহীন পরিবারগুলো।

২০১৪ সালে ওই মৌজার খাস জমিতে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) সমুদ্র গবেষণার জন্য ৪৫০ একর খাসজমি সরকারের কাছে বরাদ্দ চায় বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ওই প্রস্তাবনার প্রেক্ষিতে ২০২০ সালের ২৭ ডিসেম্বর পরিদর্শন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কিছু শর্তে দেশরতœ শেখ হাসিনা সমুদ্র বিজ্ঞান ও সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট খোলার অনুমোদন দেয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগ। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন ও শিক্ষামন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করে ওই খাসজমিতে শেখ হাসিনা সমুদ্র বিজ্ঞান ও সামুদ্রিক সম্পদ ইনস্টিটিউট স্থাপনের জন্য ১৫০ একর খাসজমি বরাদ্দ দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়।

স্থানীয় এলাকাবাসি ও ভূমিহীনরা অভিযোগ করে বলেন, স¤প্রতি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আগে এমপি সাহেব বলেছেন তাঁর ছেলে নির্বাচিত হলে ভূমিহীনদের জমি, ভূমিহীনদের ফিরিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু ভোটের পর কবিরহাটের আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন ও মোহাম্মদপুরের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ দুই সপ্তাহ ধরে ৩০ থেকে ৪০টি ভেকু মেশিন দিয়ে ৭শত একর জায়গা জুড়ে কৃষকের ফসল ধ্বংস করে প্রজেক্ট করার কাজ শুরু করে। ভূমিহীনদের দাবি, শেখ হাসিনা সমুদ্র বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট হলে তাদের কোন আপত্তি নেই। ইনস্টিটিউট করার পর বাকি খাসজমি তাদের মাঝে বন্দোবস্ত দেওয়ার দাবি তোলেন ভূমিহীনরা। অভিযুক্ত দুই নেতা জেলার এক শীর্ষ জনপ্রতিনিধির আস্থাভাজন অনুসারী হিসেবে পরিচিত বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার বিকালে সরকারি খাসজমি ফিরে পেতে এবং অবৈধ দখলদার আওয়ামী লীগ নেতা কামাল উদ্দিন ও আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহনের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে ভূমিহীনরা। ওই দিন বিকালে সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. দিদার-উল-আলম। এসময় বিশ^বিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর ও প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী, কোষাধ্যক্ষ নেওয়াজ মো. বাহাদুর’সহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভূমিদস্যুদের কবল থেকে সরকারি এই খাসজমি রক্ষায় সাইনবোর্ড ও লাল পতাকা টাঙ্গিয়ে ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ১১টি ভেকু মেশিন জব্দ করেন সুবর্ণচর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) অশোক বিক্রম চাকমা।

তিনি বলেন, চর উরিয়া, চর নোমান ও চর ল²ী মৌজার ৭০০ একর জমিই সরকারের ১নং খাস খাস খতিয়ানভুক্ত। এই খাসজমি অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ পেয়ে দুই দফা অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে ১১টি মাঠি কাটার ভেকু মেশিন জব্দ করে কয়েকটি সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড এবং লাল পতাকা উত্তোলন করে দেওয় হয়েছে। দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

অভিযোগের বিষয়ে ধানসিঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা কামাল উদ্দিন ওরপে কামাল কোম্পানী বলেন, এ জায়গার মালিক শাহজাহান নামের এক প্রবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি জায়গাটি দেখাশোনার জন্য আমাকে পাওয়ার দিয়েছেন। এখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গার কাগজপত্র থাকলে তিনি ওই জায়গা ছেড়ে দিবেন।

মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্লু কালাম আজাদ বলেন, আমি জমি দখলের সঙ্গে কোনভাবেই জড়িত নই। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কার প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ছিল আমরা জনগণের জমি জনগণকে বুঝিয়ে দেব। আগে এসব জায়গা তাদের লোকজনের ছিল বলেও দাবি করেন সাবেক এ চেয়ারম্যান।

নোবিপ্রবি প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর ও প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী বলেন, এই জায়গা সরেজমিন পরিদর্শন শেষে ২০২০ সালের ২৭ ডিসেম্বর নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে দেশরতœ শেখ হাসিনা সমুদ্র বিজ্ঞান ও সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট খোলার অনুমোদন দেয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগ। সেই মোতাবেক আমাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. দিদার-উল-আলম বলেন, ওই জায়গা শেখ হাসিনা সমুদ্র বিজ্ঞান ও সামুদ্রিক সম্পদ ইনস্টিটিউটের প্রস্তাবিত স্থান। সরকারের ১নং খাস খতিয়ানভ‚ক্ত ভ‚মিতে অবৈধভাবে কোনরুপ স্থাপনা নির্মাণসহ অবৈধভাবে দখল আইনগতভাবে নিষিদ্ধ। ওই জমি অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা করা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসন সহযোগিতা করবেন। ভ‚মিহীনদের বিনা নোটিশে তাড়িয়ে দেওয়া অমানবিক। ভ‚মিহীনদের পুর্নবাসন না করে কোন কিছু করা ঠিকনা। এত কিছু থাকার পরও যারা খাসজমি দখল চায় তারা মানসিকভাবে অসুস্থ।